এই প্রশ্নের কোনো একটি সঠিক উত্তর নেই — তবে গবেষণা ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ আছে যা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ
- ৫ বছরের নিচে: স্ক্রিন একদম না
- ৫-৮ বছর: দিনে ১ ঘণ্টার বেশি নয়, সবসময় অভিভাবকের সাথে
- ৯-১২ বছর: সীমিত ব্যবহার, প্রোটেকটেড ডিভাইস
- ১৩+: নিজস্ব ফোন বিবেচনা করা যায়, কিন্তু নিয়ম থাকতে হবে
শুধু বয়স নয়, পরিপক্কতা দেখুন
একই বয়সের দুটি শিশু সম্পূর্ণ আলাদা। ফোন দেওয়ার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন:
- সে কি দায়িত্বশীল? নিজের জিনিসপত্র সামলাতে পারে?
- সমবয়সীদের চাপে কি সহজে প্রভাবিত হয়?
- অনলাইনে অপরিচিতদের সাথে কথা বলার ঝুঁকি বোঝে?
- নিয়ম মানতে পারে কিনা?
ধাপে ধাপে স্বাধীনতা দিন
প্রথম ফোন (৯-১১ বছর):
শুধু কল ও SMS-এর জন্য বেসিক ফোন দিন। ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া।
দ্বিতীয় পর্যায় (১২-১৩ বছর):
সীমিত ইন্টারনেট সহ স্মার্টফোন, DNS ফিল্টারিং বাধ্যতামূলক, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল চালু।
তৃতীয় পর্যায় (১৪-১৬ বছর):
বেশি স্বাধীনতা, কিন্তু এখনো নিয়ম থাকবে। বিশ্বাসের ভিত্তিতে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ কমান।
ফোন দেওয়ার আগে চুক্তি করুন
সন্তানের সাথে লিখিত বা মৌখিক চুক্তি করুন:
- কখন ব্যবহার করা যাবে, কখন নয়
- কোন অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে
- অপরিচিতদের সাথে কথা বলার নিয়ম
- নিয়ম ভাঙলে কী হবে
